Posts

ডাবের পানির ৭ টি উপকারিতা

Image
গরমকালে আমাদের পানীয় একটু বেশিই পান করা হয়। বিশেষ করে সফট ড্রিংকস ধরণের অতিরিক্ত ক্যালরি ও চিনিযুক্ত পানীয়ের প্রতিই আমাদের ঝোঁকটা বেশি থাকে। কিন্তু সুস্থ থাকতে চাইলে এবং সত্যিকার অর্থেই গরমের প্রকোপ থেকে মুক্ত থাকতে নিয়মিত ডাবের পানি পান করার অভ্যাস করা উচিত। প্রতি ১০০ গ্রাম ডাবের পানিতে জলীয় অংশ ৯৫ গ্রাম, মোট খনিজ পদার্থ ০.৩ গ্রাম, আমিষ ২.৩ গ্রাম, শর্করা ২.৪ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.০১ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি ১-০.১১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম ও খাদ্যশক্তি ২৩ কিলোক্যালরি। প্রতিদিন মাত্র ১ গ্লাস ডাবের পানি পান করার অভ্যাস আপনাকে শুধু গরম থেকেই রেহাই দেবে না, এর  পাশাপাশি মুক্ত রাখবে ৭ ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে। ১. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রনে রাখে ডাবের পানির প্রাকৃতিক মিনারেলস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং সেই সাথে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য কার্ডিওভ্যসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমে। ২. হজম সমস্য...

নানান ভেষজ গুণে গুণান্নিত ডেউয়া !!!

Image
বর্ষাকালের মাঝামাঝির দিকে হলুদরঙা, এবড়োথেবড়ো আকারের কিছু ফল বিক্রি করতে দেখা যায় রাস্তার ধারে বসা ফল বিক্রেতাদের। পথ চলতে থাকা পথচারী এই ফল দেখে হঠাত্‍ই থমকে দাঁড়ান, কৌতূহলের বশে কেউ কেউ কিনেও ফেলেন। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটির নাম ডেউয়া।    ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়ামের আধার বলা হয় ডেউয়া ফলকে। এগুলো ছাড়াও ডেউয়া ফলে রয়েছে অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। ডেউয়া ফলের খাদ্যযোগ্য প্রতি ১০০ গ্রাম অংশে রয়েছে – খনিজ- ০.৮ গ্রাম খাদ্যশক্তি- ৬৬ কিলোক্যালরি আমিষ- ০.৭ গ্রাম শর্করা- ১৩.৩ গ্রাম ক্যালসিয়াম- ৫০ মিলিগ্রাম লৌহ- ০.৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১- ০.০২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি২- ০.১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি- ১৩৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম- ৩৪৮.৩৩ মিলিগ্রাম দেখতে অদ্ভুত এবং ভিন্ন স্বাদের ডেউয়া ফল মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। পাশাপাশি এর রয়েছে বেশ কিছু ভেষজ গুণও। যেমন – ১।যকৃতের নানা অসুখ নিরাময়ে সাহায্য করে ডেউয়া। ২।কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের কারণে পেটব্যথা কমাতে সহায়তা করে ফলটি। ৩।পেট পরিষ্কার করতে কাঁচা ডেউয়া ৮-১০ গ্রাম বেটে নিয়ে গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে খালি...

ডালিমের ১০ গুণ

Image
ডালিম খাওয়ার রয়েছে বহু উপকারিতা। যদিও কিছুটা দামি হওয়ার কারণে অনেকেই ডালিম খেতে চান না। তবে নিয়মিত ডালিম খেলে তা দেহের বহু উপকার করে। এ লেখায় তুলে ধরা ধরা হলো তেমন কিছু উপকারিতা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ব্রাইট সাইড। ১. পুষ্টিগুণ ডালিমে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি। মাত্র এক কাপ ডালিম দানায় রয়েছে আপনার দৈনন্দিন চাহিদর ৩০ শতাংশ ভিটামিন সি, ৩৬ শতাংশ ভিটামিন কে, ১৬ শতাংশ ভিটামিন বি৯ ও ১২ শতাংশ পটাশিয়াম। ২. রক্তচাপ ডালিম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তাহলে নিয়মিত ডালিম খাওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহেই আপনার রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ৩. আথ্রাইটিস ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা উপশম ডালিম আথ্রাইটিসে উপকার করে। এছাড়া এটি হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা উপশম করতে সহায়তা করে। ৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ডালিম দেহের কোলস্টেরলের ঝুঁকি কমায়। এতে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। ৫. স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ডালিম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। আর এ কারণে এটি অ্যালঝেইমার্সের মতো রোগীদের জন্যও উপকারি। ৬. হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি ডালিমে রয়েছে বহু পুষ্টি উপাদান, যা দেহের হিমোগ্লোবিনের...

ডুমুরের গুণাগুণ

Image
পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে হাজার বছর আগে ডুমুর চাষের খোঁজ পাওয়া গেছে। এশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে এটি প্রাকৃতিকভাবে জন্মে। পনের শতকে ইংল্যান্ড এবং মেক্সিকােতে ঔষধি গাছ হিসেবে এটি বেশ পরিচিতি লাভ করে এবং ব্যাপকভাবে ডুমুরের চাষ শুরু হয়। এটি বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মে। পশ্চিম সাইবেরিয়া এবং মধ্য এশিয়ার কিছু দেশে ডুমুর জন্মায়। সিরিয়া, সৌদি আরব এবং ইরানে ডুমুর প্রাকৃতিভাবে জন্মে। ক্যালিফোর্নিয়াতে ১৮৮১ সালে ডুমুরের সন্ধান পাওয়া যায়। রাসায়নিক উপাদান : ডুমুরে প্রচুর পরিমাণ শর্করা এবং বিভিন্ন বিজারক চিনি যেমন ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ পাওয়া যায়। এতে ৫০% পর্যন্ত মনোস্যাকারাইড এবং অলিগো-স্যাকারাইড থাকে। এতে কিছু ফিউরানো-কোমারিন যেমন সোরালিন এবং বারগাপটিন পাওয়া যায়। ডুমুরে সাইট্রিক এসিড, ম্যালিক এসিডসহ কিছু জৈব এসিড থাকে। ডুমুরের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী অংশে ৩৫২ ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১.২ গ্রাম ফ্যাট, ৭ গ্রাম ফাইবার, ৩.৮ গ্রাম অাঁশ থাকে। এতে পেকটিন এবং মিউসিলেজ জাতীয় পদার্থ থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম ডুমুরে প্রাপ্ত উপাদান : ক্যালরি-৩৫২, প্রোটিন-৬ গ্রাম, ফ্যাট-১.২ গ্রাম, কার্বোহা...

জামের উপকারিতা

Image
কালোজাম গ্রীষ্মকালের একটি জনপ্রিয় ফল। জাম বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ এবং স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। জাম খাওয়াও খুব সহজ কারণ এর খোসা ছারাতে হয়না। এর মিষ্টি রসালো স্বাদ ছোটদের খুব প্রিয়। ত্বক, চুল ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী জাম।  মোটামুটি সস্তা ফল জাম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ।  ১০০ গ্রাম জামে ক্যালরি আছে ৬০, এতে কার্বোহাইড্রেট আছে ১৫.৫৬ গ্রাম, ফ্যাট ০.২৩ গ্রাম, প্রোটিন ০.৭২ ভিটামিন এর মধ্যে আছে এ ও সি এবং মিনারেল এর মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম ও আয়রন। জামের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জেনে নিই চলুন। ১। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় ঐতিহ্যগতভাবেই জাম ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জামের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি ডায়াবেটিসের জন্য ভালো বলে বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত। কমপ্লিমেন্ট থার মেড এ প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায় জানা যায় যে, জামের ডায়াবেটিক বিরোধী গুণ আছে। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে জামের বীচি রক্তের সুগার লেভেল ৩০% পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করে। এই ফলটি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ...